কাজিপুর থানার একটি দুর্গম গ্রাম বরইতলা গ্রাম। ১৯৭১’র মুক্তিবাহিনীর ছিল নিরাপদ আশ্রয়স্থল। ১৯৭১’র ১৩ই নভেম্বর মুক্তিবাহিনী এ গ্রামে আশ্রয় নেয়। কাজিপুরের শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনী পাকিস্তানী বাহিনীকে খবর দেয়। রাতের অন্ধকারে পাকিস্তানী সৈনিক ও রাজাকার বাহিনী বরইতলা গ্রাম ঘেরাও দেয় এবং নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। ইতস্তত বিক্ষিপ্তভাবে ছড়িয়ে থাকা মুক্তিবাহিনীর অস্ত্র গর্জে উঠে। রাতভর যুদ্ধের পর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর অস্ত্র স্তব্ধ হয়ে যায়। দিনভর যুদ্ধের পর মুক্তিবাহিনীর গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেলে পিছু হটে। পাকিস্তানীরা গ্রামের বাড়ি বাড়ি ঢুকে নারী ও পুরুষ ও শিশুদের নির্বিবাদে গুলি করে হত্যা করে ৭৬ জন বাঙালী সন্তানকে হত্যা করে। অধিকাংশ মানুষকে হত্যার পর গ্রামে আগুন ধরিয়ে দেয় এবং অনেককে আগুনে নিক্ষেপ করেছে।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে সেখানে এই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, এটুআই, বিসিসি, ডিওআইসিটি ও বেসিস